নারীর সুরক্ষা নিশ্চিত এর বদলে বিএনপি সরকার নারীর স্বাধীনতার ওপর নতুন নতুন নিয়মের নামে নিয়ন্ত্রণ চাপিয়ে দিচ্ছে ।
ডিজিটাল যুগের কথা বলা হয়, কিন্তু বাস্তবে নারীর স্বাধীনতার ওপর নতুন নতুন নিয়মের নামে নিয়ন্ত্রণ চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
ফেসবুক লাইভ বা অনলাইন মিডিয়ায় নারী উপস্থাপকের পোশাক নিয়ে যে নিষেধাজ্ঞা বা সীমাবদ্ধতা জানিয়েছে বিএনপি সরকার —বড় টিপ পরা যাবে না, এক পাশে ওড়না রাখা যাবে না, টি-শার্ট বা গেঞ্জি পরা যাবে না—এগুলো কোনোভাবেই আধুনিক রাষ্ট্রের চিত্র হতে পারে না।
রাষ্ট্র যখন ডিজিটাল উন্নয়নের দাবি করে, তখন সেখানে ব্যক্তিগত পছন্দ, পেশাগত স্বাধীনতা আর সৃজনশীলতার জায়গা সংকুচিত হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
নারীর পোশাক নয়, বরং নারীর কাজ ও দক্ষতাই হওয়া উচিত মূল্যায়নের মানদণ্ড। কিন্তু যখন নিয়মের নামে নিয়ন্ত্রণ বাড়ে, তখন বুঝতে হয় সমস্যাটা উন্নয়নের নয়, দৃষ্টিভঙ্গির।
পেশাদারিত্ব কখনো পোশাক দেখে বিচার হয় না। একজন উপস্থাপকের যোগ্যতা তার কণ্ঠ, জ্ঞান, উপস্থাপনা আর দক্ষতায়।
এই ধরনের নিয়ম শুধু নারীর স্বাধীনতাকে খাটো করে না, বরং পুরো মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিকে একটি সংকীর্ণ চিন্তার ভেতরে আটকে ফেলে।
এই নিয়ম কার জন্য? বিশেষ দলের মন রক্ষার নামে যদি নারীকে আলাদা করে বাঁধা হয়, তাহলে সেটা উন্নয়ন নয়, বরং পিছিয়ে যাওয়া চিন্তারই প্রতিফলন এবং মুক্তচেতনার কণ্ঠরোধ। বিএনপি সরকার যতবারই ক্ষমতায় এসেছে নারীদের দের কে পিছিয়ে রাখা হয়েছে বিভিন্ন অজুহাতে এবারো তার ব্যাতিক্রম নই ।
#Bangladesh #BangladeshCrisis

